অ্যামোনিয়াময়াম আয়নের (NH4+) শনাক্তকরণ :
ক্ষারীয় মূলকের নিশ্চিতকারী পরীক্ষা
অ্যামোনিয়াময়াম আয়নের (NH4+) শনাক্তকরণ :
মূল দ্রবন প্রস্তুতি : প্রদত্ত অজানা অজৈব লবণকে একটি টেস্টটিউবে নিয়ে তাতে প্রয়োজন মত পাতিত পানি দিয়ে ভালো করে ঝাকিয়ে দ্রবণ তৈরী করি । প্রস্তুতকূত দ্রবণই মূল দ্রবণ ।
|
পরীক্ষা |
পর্যবেক্ষণ |
সিদ্ধান্ত |
|
(1) একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে NaOH যোগ করে মিশ্রনটিকে ফুটাই । |
অ্যামোনিয়া গ্যাসের গন্ধ বের হয় । একটি কাচদন্ডের অগ্রভাগে গাঢ় HCl দিয়ে সিক্ত করে পরীক্ষা নলের মুখে ধরলে গাড় সাদা ধোয়ার সৃষ্টি হয় । NH4Cl+NaOH=NH3+H2O+NaCl NH3+HCl=NH4Cl
|
(1) লবণের দ্রবণে ((NH4+) আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত |
|
(2) একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে নেসলার দ্রবণ যোগ করি
|
বাদামী বর্ণের অধ:ক্ষেপ উৎপন্ন হয় NH4Cl+NaOH(নেসলার বিকারকে বিদ্যমান)=NH3+H2O+NaCl NH3+2K2HgI4+3KOH=
Hg O NH2I ( বাদামী অধ:ক্ষেপ) Hg
+7KI+2H2O |
(2) লবণের দ্রবণে ((NH4+) আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত |
নেসলার বিকারক : ১০ মি.লি. পানিতে ১০ গ্রাম KI - কে দ্রবীভূত করে স্থায়ী অধ:ক্ষেপ লাল ( HgI2 ) না পাওয়া পর্যন্ত এ দ্রবণে মারকিউরিক ক্লোরাইডের সম্পৃক্ত দ্রবণ ( ৬ গ্রাম/১০০ মি.লি.) ফোটায় ফোটায় যোগ করি । অত:পর এই দ্রবণে ৮০ মি.লি. KOH দ্রবণ ( ৪৫গ্রাম /৮০ মি.লি.) যোগ করে পানি দ্বারা দ্রবণের মোট আয়তন ২০০ মি.লি. করি । একরাত্র স্থির অবস্থায় রেখে পরিস্কার দ্রবণ নিই এই দ্রবণই নেসলান দ্রবণ ।
Comments