ক্ষারীয় মূলকের নিশ্চিতকারী পরীক্ষা
ক্ষারীয় মূলকের নিশ্চিতকারী পরীক্ষা :
কপার আয়নের (Cu2+ ) শনাক্তকরণ :
মূল দ্রবন প্রস্তুতি : প্রদত্ত অজানা অজৈব লবণকে একটি টেস্টটিউবে নিয়ে তাতে প্রয়োজন মত পাতিত পানি দিয়ে ভালো করে ঝাকিয়ে দ্রবণ তৈরী করি । প্রস্তুতকূত দ্রবণই মূল দ্রবণ ।
|
পরীক্ষা |
পর্যবেক্ষণ |
সিদ্ধান্ত |
|
(1) একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে সামান্য (K4Fe(CN)6])পটাশিয়াম ফেরোসায়নাইড দ্রবণ যোগ করি |
কপার ফেরোসায়নাইডের চকলেট বর্ণের অধ:ক্ষেপ তৈরী হয় 2CuSO4+K4 Fe(CN)6]=Cu2 Fe(CN)6] +2K2SO4 |
(1) লবণের দ্রবণে (Cu2+
)আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত |
|
(2)একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে NH4OH দ্রবণ ধীরে ধীরে ডোগ করি । |
প্রথমে হাল্কা নীল বর্ণের অধ:ক্ষেপ তৈরী হয় যা অতিরিক্ত অ্যামোনিয়া দ্রবণে দ্রবীভূত হয়ে গাঢ় নীল বর্ণের দ্রবণে পরিণত হয়। 2CuSO4+2NH4OH=CuSO4.Cu(OH)2↓+(NH4)₂SO4 CuSO4.Cu(OH)2+(NH4)2SO4+6NH4OH= 2 Cu(NH3)4]SO4+8H2O
|
(2) লবণের দ্রবণে (Cu2+ )আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত |
ক্ষারীয় মূলকের নিশ্চিতকারী পরীক্ষা
ফেরাস আয়নের (Fe2+ ) শনাক্তকরণ :
মূল দ্রবন প্রস্তুতি : প্রদত্ত অজানা অজৈব লবণকে একটি টেস্টটিউবে নিয়ে তাতে প্রয়োজন মত পাতিত পানি দিয়ে ভালো করে ঝাকিয়ে দ্রবণ তৈরী করি । প্রস্তুতকূত দ্রবণই মূল দ্রবণ ।
|
পরীক্ষা |
পর্যবেক্ষণ |
সিদ্ধান্ত |
|
(1)একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে NH4OH দ্রবণ ধীরে ধীরে যোগ করি । |
ফেরাস হাইড্রোক্সাইডের সবুজ বর্ণের অধ:ক্ষেপ তৈরী হয় FeSO4+2NH4OH=Fe(OH)2↓+2(NH4)2SO4
|
(1) লবণের দ্রবণে (Fe2+) আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত |
|
(2) একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে NaOH দ্রবণ ধীরে ধীরে যোগ করি । |
ফেরাস হাইড্রোক্সাইডের সবুজ বর্ণের অধ:ক্ষেপ তৈরী হয় FeSO4+2NaOH= Fe(OH)2↓+2NaCl |
(2)লবণের দ্রবণে (Fe2+) আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত |
|
(3) একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে সামান্য (K4Fe(CN)6])পটাশিয়াম ফেরোসায়নাইড দ্রবণ যোগ করি |
পটাশিয়াম ফেরাস ফেরোসায়নাইডের হালকা নীল বর্ণের অধ:ক্ষেপ তৈরী হয় । FeSO4+K4 Fe(CN)6]=K2Fe Fe(CN)6]+K2SO4 |
(3)লবণের দ্রবণে (Fe2+) আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত |
ক্ষারীয় মূলকের নিশ্চিতকারী পরীক্ষা
ফেরিক (Fe3+)আয়নের শনাক্তকরণ :
মূল দ্রবন প্রস্তুতি : প্রদত্ত অজানা অজৈব লবণকে একটি টেস্টটিউবে নিয়ে তাতে প্রয়োজন মত পাতিত পানি দিয়ে ভালো করে ঝাকিয়ে দ্রবণ তৈরী করি । প্রস্তুতকূত দ্রবণই মূল দ্রবণ ।
|
পরীক্ষা |
পর্যবেক্ষণ |
সিদ্ধান্ত |
|
(1)একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে NH4OH দ্রবণ ধীরে ধীরে যোগ করি ।
|
(1) ফেরিক হাইড্রোক্সাইড এর বাদামী বর্ণের জেলীর ন্যায় অধ:ক্ষেপ উৎপন্ন হয় যা G সহজে দ্রবীভূত হয়ে বাদামী বর্ণের দ্রবণ উৎপন্ন করে যা- HCl FeCl3+3NH4OH=Fe(OH)3↓+3NH4Cl Fe(OH)3+3HCl=FeCl3+3H2O |
(1) লবণের দ্রবণে (Fe3+) আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত
|
|
(2) একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে NaOH দ্রবণ ধীরে ধীরে যোগ করি । |
(2) ফেরিক হাইড্রোক্সাইড এর বাদামী বর্ণের জেলীর ন্যায় অধ:ক্ষেপ উৎপন্ন হয় FeCl3+3NaOH=Fe(OH)3↓+3NaCl
|
(2) লবণের দ্রবণে (Fe3+) আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত |
|
(3) একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে সামান্য (K4Fe(CN)6])পটাশিয়াম ফেরোসায়নাইড দ্রবণ যোগ করি |
(3) ফেরিক ফেরোসায়ানাইড এর গাঢ় নীল বর্ণের অধ:ক্ষেপ তৈরী হয় । FeCl3+ 3K4 Fe(CN)6]= 3K4 Fe(CN)6]3↓+12KCl |
(3) লবণের দ্রবণে (Fe3+) আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত |
ক্ষারীয় মূলকের নিশ্চিতকারী পরীক্ষা
অ্যালুমিনিয়াম আয়নের (Al3+) শনাক্তকরণ :মূল দ্রবন প্রস্তুতি : প্রদত্ত অজানা অজৈব লবণকে একটি টেস্টটিউবে নিয়ে তাতে প্রয়োজন মত পাতিত পানি দিয়ে ভালো করে ঝাকিয়ে দ্রবণ তৈরী করি । প্রস্তুতকূত দ্রবণই মূল দ্রবণ ।
|
পরীক্ষা |
পর্যবেক্ষণ |
সিদ্ধান্ত |
|
(1) একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে NH4OH দ্রবণ ধীরে ধীরে যোগ করি ।
|
(1) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সাদা জেলীর ন্যায় অধ:ক্ষেপ উৎপন্ন হয় –-যা HCl - এ সহজে দ্রবনীয়
AlCl3+3NH4OH=Al(OH)3↓+3NH4Cl Al(OH)3+3HCl=AlCl3+3H2O
|
(1) লবণের দ্রবণে (Al3+) আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত
|
|
(2) একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে NaOH দ্রবণ ধীরে ধীরে যোগ করি । |
(2) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সাদা জেলীর ন্যায় অধ:ক্ষেপ উৎপন্ন হয় –- যা অতিরিক্ত NaOH - দ্রবণে দ্রবীভূত হয়ে সোডিয়াম অ্যালুমিনেটের (NaAlO2) স্বচ্ছ দ্রবণ সৃষ্টি করে AlCl3+3NaOH=Al(OH)3↓+3NaCl Al(OH)3+NaOH=NaAlO2+H2O |
(2) লবণের দ্রবণে (Al3+) আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত
|
ক্ষারীয় মূলকের নিশ্চিতকারী পরীক্ষা
জিঙ্ক আয়নের (Zn2+) শনাক্তকরণ :
মূল দ্রবন প্রস্তুতি : প্রদত্ত অজানা অজৈব লবণকে একটি টেস্টটিউবে নিয়ে তাতে প্রয়োজন মত পাতিত পানি দিয়ে ভালো করে ঝাকিয়ে দ্রবণ তৈরী করি । প্রস্তুতকূত দ্রবণই মূল দ্রবণ ।
|
পরীক্ষা |
পর্যবেক্ষণ |
সিদ্ধান্ত |
|
(1) একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে NH4OH দ্রবণ ধীরে ধীরে যোগ করি ।
|
(1) জিংক হাইড্রোক্সাইডের সাদা অধ:ক্ষেপ উৎপন্ন হয়- যা অতিরিক্ত অ্যামোনিয়া ( NH4OH) দ্রবণে দ্রবীভূত হয় । ZnSO4+2NH4OH=Zn(OH)2↓+(NH4)2SO4 Zn(OH)2+2NH4OH=[Zn(NH3)2](OH)2+2H2O
|
(1) লবণের দ্রবণে (Zn 2+) আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত
|
|
(2) একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে NaOH দ্রবণ ধীরে ধীরে যোগ করি । |
(2) জিংক হাইড্রোক্সাইডের সাদা অধ:ক্ষেপ উৎপন্ন হয়- যা অতিরিক্ত সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH) দ্রবণে দ্রবীভূত হয়ে সোডিয়াম জিংকেটের স্বচ্ছ দ্রবণ সৃষ্টি করে ZnSO4+2NaOH=Zn(OH)2↓+Na2SO4 Zn(OH)2+2NaOH= Na2 Zn O2+2H2O
|
(2) লবণের দ্রবণে (Zn 2+) আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত
|
ক্ষারীয় মূলকের নিশ্চিতকারী পরীক্ষা
ক্যালসিয়াম আয়নের (Ca2+) শনাক্তকরণ :
মূল দ্রবন প্রস্তুতি : প্রদত্ত অজানা অজৈব লবণকে একটি টেস্টটিউবে নিয়ে তাতে প্রয়োজন মত পাতিত পানি দিয়ে ভালো করে ঝাকিয়ে দ্রবণ তৈরী করি । প্রস্তুতকূত দ্রবণই মূল দ্রবণ ।
|
পরীক্ষা |
পর্যবেক্ষণ |
সিদ্ধান্ত |
|
|
(1) একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে অ্যামোনিয়াম কার্বনেট [(NH4)2CO3] দ্রবণ ধীরে ধীরে যোগ করি
|
(1) ক্যালসিয়াম কার্বনেটের সাদা অধ:ক্ষেপ পড়ে যা লঘু
HCl- এ দ্রবনীয় CaCl2+(NH4)2CO3=CaCO3↓+2NH4Cl CaCO3+2HCl=CaCl2+CO2+H2O
|
(1) লবণের দ্রবণে (Ca2+) আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত
|
|
|
(2)
একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে অ্যামোনিয়াম অক্সালেট [(NH4)2C2O4 ] দ্রবণ ধীরে ধীরে যোগ করি |
(2) ক্যালসিয়াম অক্সালেটের সাদা অধ:ক্ষেপ পড়ে যা লঘু HCl- এ দ্রবনীয় কিন্তু এসিটিক এসিডে দ্রবনীয়। CaCl2+(NH4)2C2O4=CaC2O4↓+2NH4Cl CaC2O4+2HCl=CaCl2+ H2C2O4
|
(2) লবণের দ্রবণে (Ca2+) আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত |
|
ক্ষারীয় মূলকের নিশ্চিতকারী পরীক্ষা
অ্যামোনিয়াময়াম আয়নের (NH4+) শনাক্তকরণ :
মূল দ্রবন প্রস্তুতি : প্রদত্ত অজানা অজৈব লবণকে একটি টেস্টটিউবে নিয়ে তাতে প্রয়োজন মত পাতিত পানি দিয়ে ভালো করে ঝাকিয়ে দ্রবণ তৈরী করি । প্রস্তুতকূত দ্রবণই মূল দ্রবণ ।
|
পরীক্ষা |
পর্যবেক্ষণ |
সিদ্ধান্ত |
|
(1) একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে NaOH যোগ করে মিশ্রনটিকে ফুটাই । |
অ্যামোনিয়া গ্যাসের গন্ধ বের হয় । একটি কাচদন্ডের অগ্রভাগে গাঢ় HCl দিয়ে সিক্ত করে পরীক্ষা নলের মুখে ধরলে গাড় সাদা ধোয়ার সৃষ্টি হয় । NH4Cl+NaOH=NH3+H2O+NaCl NH3+HCl=NH4Cl
|
(1) লবণের দ্রবণে ((NH4+) আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত |
|
(2) একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে নেসলার দ্রবণ যোগ করি
|
বাদামী বর্ণের অধ:ক্ষেপ উৎপন্ন হয় NH4Cl+NaOH(নেসলার বিকারকে বিদ্যমান)=NH3+H2O+NaCl NH3+2K2HgI4+3KOH=
Hg O NH2I ( বাদামী অধ:ক্ষেপ) Hg
+7KI+2H2O |
(2) লবণের দ্রবণে ((NH4+) আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত |
নেসলার বিকারক : ১০ মি.লি. পানিতে ১০ গ্রাম KI - কে দ্রবীভূত করে স্থায়ী অধ:ক্ষেপ লাল ( HgI2 ) না পাওয়া পর্যন্ত এ দ্রবণে মারকিউরিক ক্লোরাইডের সম্পৃক্ত দ্রবণ ( ৬ গ্রাম/১০০ মি.লি.) ফোটায় ফোটায় যোগ করি । অত:পর এই দ্রবণে ৮০ মি.লি. KOH দ্রবণ ( ৪৫গ্রাম /৮০ মি.লি.) যোগ করে পানি দ্বারা দ্রবণের মোট আয়তন ২০০ মি.লি. করি । একরাত্র স্থির অবস্থায় রেখে পরিস্কার দ্রবণ নিই এই দ্রবণই নেসলান দ্রবণ ।
ক্ষারীয় মূলকের নিশ্চিতকারী পরীক্ষা
সোডিয়াম আয়নের (Na+) শনাক্তকরণ :
মূল দ্রবন প্রস্তুতি : প্রদত্ত অজানা অজৈব লবণকে একটি টেস্টটিউবে নিয়ে তাতে প্রয়োজন মত পাতিত পানি দিয়ে ভালো করে ঝাকিয়ে দ্রবণ তৈরী করি । প্রস্তুতকূত দ্রবণই মূল দ্রবণ ।
|
পরীক্ষা |
পর্যবেক্ষণ |
সিদ্ধান্ত |
|
(1) একটি পরীক্ষা নলে সামান্য মূল দ্রবণ নিয়ে তাতে পটাশিয়াম পাইরোঅ্যান্টিমোনেট (K2H2Sb2O7) যোগ করি |
সোডিয়াম পাইরোঅ্যান্টিমোনেট সাদা অধ:ক্ষেপ তৈরী হয় 2NaCl+K2H2Sb2O7=Na2H2Sb2O7↓+KCl |
(1) লবণের দ্রবণে (Na+) আয়নের উপস্থিতি নিশ্চিত |
Comments