ইথানয়িক এসিড হতে ভিনেগার প্রস্তুত করন

মূলনীতি : ভিনেগার বা সিরকা হলো অ্যাসিটিক এসিডের ৪% থেকে ৮%  জলীয় দ্রবণ বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস যেমন গম ,বার্লি ,আঙ্গুরের রস ,আখের রস প্রভৃতি থেকে চোলাইকরণ ও ব্যাকটেরিয়ার জারণ দ্বারা ভিনেগার তৈরি করা হয়। আবার পরীক্ষাগারে গ্লেসিয়াল অ্যাসিটিক অ্যাসিডকে ( যাতে ৯৯.৫% এসিটিক এসিড ধাকে) নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি সহযোগে লঘুকরণের মাধ্যমে তৈরি করা যায়। যেমন অ্যাসিটিক এসিডের জলীয় দ্রবণে ৫% (ভর / আয়তন) অ্যাসিটিক অ্যাসিড থাকলে তা  ভিনেগার হবে। পরীক্ষাগারে উৎপন্ন ভিনেগার সাদা ও গন্ধবিহীন।

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি: (১) মাপন ফ্লাক্স (১০০ মি.লি.) (২) একটি পিপেট(১০ মি.লি.)

প্রয়োজনীয় রাসায়নিক দ্রব্য : গ্লেসিয়াল অ্যাসিটিক অ্যাসিড, পাতিত পানি 
 

কার্যপ্রণালী :


(১) প্রথমে গ্লেসিয়াল অ্যাসিটিক এসিডের পরিমাণ নিম্নরূপে বের করি: 

 ধরা যাক 100 মিলি আয়তনের ভিনেগার প্রস্তুত করতে হবে যাতে অ্যাসিটিক এসিডের পরিমাণ হবে 5 % ( ভর/ আয়তন)   দেওয়া আছে, গ্লেসিয়াল অ্যাসিটিক এসিডের  বিদ্যমান এসিডের পরিমাণ ৯৯.৫% (ভর / আয়তন)

5 % এর ক্ষেত্রে 100 মিলি ভিনেগার দ্রবণে ৫ গ্রাম অ্যাসিটিক অ্যাসিড থাকবে

 সুতরাং ৫ গ্রাম অ্যাসিটিক অ্যাসিড থাকে 

                       

                        100 × 5           = ৫.০৩ মিলি লিটার গ্লেসিয়াল অ্যাসিটিক অ্যাসিড।

                         ৯৯.৫

মিলি লিটার গ্লেসিয়াল অ্যাসিটিক অ্যাসিড।

                       

(২)   100 মিলি মাপন ফ্লাক্স পাতিত পানি দ্বারা ধৌত করি। 

(৩)  মাপন ফ্লাক্সে পিপেটের সাহায্যে ৫.০৫ মিলি এসিটিক এসিড নিই

(৪) মাপন ফ্লাক্স এর গলার দাগ পর্যন্ত পাতিত পানি দিয়ে উত্তমরূপে ঝাকাই এই অ্যাসিটিক এসিডের পাতলা জলীয় দ্রবণই হল ভিনেগার ।

ফলাফল : গ্লেসিয়াল অ্যাসিটিক অ্যাসিড কে পাতিত পানি সহযোগে লঘুকরণ করে ভিনেগার প্রস্তুত করা যায়। 

Comments

Popular Posts

সেমি মোলার দ্রবন

মুদ্রা ধাতু

পর্যায় সারণীর বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Modern Periodic Table)