Posts

Showing posts from 2024

অপধাতু

যে সকল মৌল কোন কোন সময় ধাতুর মত আচরণ করে এবং কোন কোন সময় অ ধাতুর আচরণ করে তাদেরকে অর্ধধাতু বা অপধাতু বলা হয়  আবার আধুনিক সংজ্ঞা অনুযায়ী যে সকল মৌল কোন কোন সময় ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং কোন কোন সময় ইলেকট্রন গ্রহন করে তাদেরকে অর্ধধাতু বা অপধাতু বলা হয় যেমন সিলিকন Si      একটি অপধাতু  পর্যায় সারণির যেকোনো একটি পর্যায়ের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, বাম দিকের মৌলগুলো সাধারণত ধাতু এবং মাঝের মৌল গুলো সাধারণত অর্ধধাতু বা উপধাতু  এবং ডান দিকের মৌল গুলো সাধারণত অধাতু

ধাতব ধর্ম

Image
যে সকল মৌল এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয় তাদেরকে ধাতু বলে ধাতুর ইলেকট্রন ত্যাগের এই ধর্মকে ধাতব ধর্ম বলে  যে মৌলের পরমাণু যত সহজে ইলেকট্রন ত্যাগ করতে পারবে সেই মৌলের  ধাতব ধর্ম  তত  বেশি লিথিয়াম  (  Li )  একটি ধাতু  কারণ লিথিয়াম (   Li )   একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে  লিথিয়াম প্লাস (   Li +   )   এ পরিণত হয়  পর্যায় সারণীতে যে কোন পর্যায়ের বাম থেকে ডানে গেলে ধাতব ধর্ম হ্রাস পায়

আধুনিক পর্যায় সূত্র

  মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি এদের পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয় পারমাণবিক সংখ্যার ক্রমানুসারে মৌলসমূহ কে ৭টি পর্যায় ও ১৮ টি গ্রুপে বিন্যস্ত করে আধুনিক পর্যায় সূত্র মতে দীর্ঘাকার পর্যায় সারণী তৈরি করা হয়

রিএজেন্ট বোতল

  রিএজেন্ট বোতল :  পরীক্ষাগারে যেসব বোতলে বিভিন্ন রিএজেন্ট বা বিকারকের দ্রবণ রাখা হয় তাদেরকে রিএজেন্ট বোতল বলে

বিকারক বা রিএজেন্ট ,reagent

  বিকারক বা রিএজেন্ট :  রসায়নিক বিশ্লেষণ পরীক্ষা কালে যেসব রাসায়নিক পদার্থ কঠিন অবস্থায় বা দ্রবনরূপে ব্যবহৃত হয় তাদেরকে পরীক্ষাগার বিকারক বা  রিএজেন্ট বলে  যেমন :  সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ,অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ,সিলভার নাইট্রেট দ্রবণ, সোডিয়াম ধাতু ইত্যাদি

শুষ্ক কারক বা ড্রায়িং এজেন্ট ,drying agent

  শুষ্ক কারক বা ড্রায়িং এজেন্ট:   যেসব রাসায়নিক পদার্থ এদের  চারপাশের পরিবেশ থেকে জলীয়বাষ্পকে শোষণ করে পরিবেশে থাকা গ্যাসীয় পদার্থ বা কঠিন পদার্থকে আর্দ্রতা বা জলীয় বাষ্প মুক্ত রাখে তাদেরকে শুষ্ক কারক বা ড্রাইং এজেন্ট বলে শুষ্ককারক পদার্থকে  ডেসিকেটিং এজেন্ট ও  বলা হয় কারণ এসব শুষ্ককারক পদার্থ ডেসিকেটর এ ড্রাইং এজেন্ট  রূপে ব্যবহৃত হয় ।   যেমন::::  কঠিন শুষ্ক কারক হল   অনাদ্র  Cacl 2 (ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড )  পটাশিয়াম ক্লোরাইড ( KCl) ম্যাগনেসিয়াম সালফেট  ( MgSO 4) সাদা দ্যানাদার পটাশিয়াম পেন্ট অক্সাইড  ( P 2 O 5 ) ‘ সিলিকা জেল    ( SiO 2   )                                     ইত্যাদি    তরল শুষ্ক কারক হল ::: গাঢ় সালফিউরিক এসিড

আয়তনিক বিশ্লেষণ ,volumetric analysis

  আয়তনিক বিশ্লেষণ :  আয়তনিক বিশ্লেষনের বেলায় কোন নির্দিষ্ট আয়তনের প্রদত্ত নমুনার সাথে অপর কোন নির্দিষ্ট আয়তনের বিকারক দ্রবণের তুল্য পরিমাণে বিক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রদত্ত নমুনায় পরীক্ষণীয় উপাদানের  মোল পরিমাণ গণনা করা হয় ।  যেমন: অম্ল ক্ষারটাইট্রেশন রেডক্স টাইটেশন

ভারভিত্তিক বিশ্লেষণ , gravimetric Analysis

  ভারভিত্তিক বিশ্লেষণ:  ভর ভিত্তিক বিশ্লেষণের বেলায় পরীক্ষাাধীন পদার্থের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সৃষ্ট    অধ:ক্ষেপকে পোর্সেলিন বাটিতে উচ্চ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করে শুষ্ক করার পর প্রাপ্ত ভরের ওজন গ্রাম এককে নেয়া হয়

মাত্রিক বিশ্লেষণ ,Quantitative analysis

  মাত্রিক বিশ্লেষণ : যে বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ার সাহায্যে কোন রাসায়নিক পদার্থের মূল উপাদান সমূহের আনুপাতিক পরিমাণ বা সঠিক পরিমাণ নির্ণয় করা হয় তাকে মাত্রিক বিশ্লেষণ বলে  মাত্রিক বিশ্লেষণ দুই শ্রেণীতে বিভক্ত  ১. ভর ভিত্তিক বিশ্লেষণ  (  gravimetric  Analysis )  ২. আয়তনিক বিশ্লেষণ  (  volumetric analysis) 

রাসায়নিক বিশ্লেষণ

  কোন রাসায়নিক পদার্থ অথবা এদের মিশ্রণের মূল উপাদান সমূহকে সনাক্তকরণ এবং এদের পরিমাণ নির্ধারণের জন্য যে রাসায়নিক পদ্ধতিসমূহ ল্যাবরেটরীতে অনুসরণ করা হয় তাকে রাসায়নিক বিশ্লেষণ বলে । সমগ্র রাসায়নিক প্রক্রিয়া মূলত দুই প্রধান শ্রেণীতে বিভক্ত  যেমন ::  ১. আঙ্গিক বিশ্লেষণ ( Qualitative analysis )                 ২. মাত্রিক বিশ্লেষণ ( Quantitative analysis ) 

ডেসি মোলার দ্রবন, decimolar solution

  ডেসি মোলার দ্রবন(decimolar solution ) : নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন দ্রবের  এক লিটার দ্রবণে 0.1 mol দ্রব্য  দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণকে ঐ দ্রবের ডেসি মোলার (0.1M) দ্রবন বলে ।  ডেসি মোলার দ্রবণকে 0.1M  দ্বারা বুঝানো হয় ।   যেমন  : কক্ষ তাপমাত্রায় এক লিটার দ্রবণে 0.1 mol   সোডিয়াম কার্বনেট ( Na 2 CO 3)   বা 10.6 গ্রাম সোডিয়াম কার্বনেট ( Na 2 CO 3 )   দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণকে সোডিয়াম কার্বনেট এর ( Na 2 CO 3)   ডেসি মোলার ( 0.1M) দ্রবন বলা হয় । একই ভাবে কক্ষ তাপমাত্রায় এক লিটার দ্রবণে 0.1 mol   সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ( NaOH )   বা 4 গ্রাম সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ( NaOH ) দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণকে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর ( NaOH ) ডেসি মোলার ( 0.1M) দ্রবন বলা হয় ।

সেমি মোলার দ্রবন

  সেমি মোলার দ্রবন(semi molar solution ) : নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন দ্রবের  এক লিটার দ্রবণে অর্ধ মোল (0.5 mol) দ্রব্য  দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণকে ঐ দ্রবের সেমি মোলার (0.5M) দ্রবন বলে ।  সেমি মোলার দ্রবণকে 0.5M  দ্বারা বুঝানো হয় ।   যেমন  : কক্ষ তাপমাত্রায় এক লিটার দ্রবণে 0.5 mol   সোডিয়াম কার্বনেট ( Na 2 CO 3)   বা 53 গ্রাম সোডিয়াম কার্বনেট ( Na 2 CO 3 )   দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণকে সোডিয়াম কার্বনেট এর ( Na 2 CO 3)   সেমি মোলার ( 0.5M) দ্রবন বলা হয় । একই ভাবে কক্ষ তাপমাত্রায় এক লিটার দ্রবণে 0.5 mol   সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ( NaOH )   বা 20 গ্রাম সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ( NaOH ) দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণকে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর ( NaOH ) সেমি মোলার ( 0.5M) দ্রবন বলা হয় ।

মোলার দ্রবন, molar solution

  মোলার দ্রবন (molar solution ) : নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন দ্রবের  এক লিটার দ্রবণে এক মোল দ্রব্য  দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণকে ঐ দ্রবের এক মোলার দ্রবণ বলে ।  মোলার দ্রবণকে 1M  দ্বারা বুঝানো হয় ।   যেমন  : কক্ষ তাপমাত্রায় এক লিটার দ্রবণে ১ মোল  সোডিয়াম কার্বনেট ( Na 2 CO 3)  বা ১০৬ গ্রাম সোডিয়াম কার্বনেট ( Na 2 CO 3 ) দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণকে 1M সোডিয়াম কার্বনেট ( Na 2 CO 3)  দ্রবন বলা হয় । একই ভাবে কক্ষ তাপমাত্রায় এক লিটার দ্রবণে ১ মোল  সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ( NaOH )   বা 40 গ্রাম সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ( NaOH ) দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণকে 1M সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ( NaOH ) দ্রবন বলা হয় ।

মোলারিটি , Molarity

Image
    মোলারিটি ( Molarity ) : নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যেমন কক্ষ তাপমাত্রায় কোন দ্রবের  এক লিটার দ্রবণে ঐ দ্রবের যত মোল ( বা গ্রাম আণবিক ভর ) দ্রবীভূত থাকে, দ্রবের  ঐ  মোল সংখ্যাকে ঐ দ্রবণে ঐ দ্রবের  মোলারিটি বলে                                                                                                                                                    

রাইডার ধ্রুবক , rider constant

  রাইডার ধ্রুবক :  রাসায়নিক নিক্তির  বিমের দৈর্ঘ্যের উপর প্রতি শতাংশে ব্যবহৃত রাইডারের ওজনের পার্থক্যকে রাইডার ধ্রুবক ( rider constant ) বলে

রাসায়নিক নিক্তি

রাসায়নিক নিক্তি:   আয়তনিক বিশ্লেষণ কাজে রাসায়নিক পদার্থকে গ্রাম এককের দশমিক দ্বিতীয় স্থান থেকে চতুর্থ স্থান পর্যন্ত সঠিকভাবে (0.01-0.0001) পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত নিক্তিকে রাসায়নিক নিক্তি বা কেমিক্যাল ব্যালেন্স বলে কেমিক্যাল ব্যালেন্স দুই প্রকার :  ১. পল বুঙ্গি ব্যালেন্স  ২. সারর্টোরিয়াস ( ‍sartorius)  ব্যালেন্স