Posts
Showing posts from 2023
মাইক্রো বিশ্লেষণ ও সেমি মাইক্রো বিশ্লেষণ
- Get link
- X
- Other Apps
সেমি মাইক্রো বিশ্লেষণ : এক একটি পরীক্ষায় নমুনা পদার্থের পরিমাণ 50 মিলিগ্রাম থেকে 200 মিলিগ্রাম হয়ে থাকে । দ্রবণের 2 মিলি থেকে ৪ মিলি হয়ে থাকে মাইক্রো বিশ্লেষণ : এক একটি পরীক্ষায় নমুনা পদার্থের পরিমাণ ৫ মিলিগ্রাম থেকে 20 মিলিগ্রাম বা তার কম হতে পারে । দ্রবণের পরিমাণ ০.2 মিলি থেকে 1.০ মিলি হয়ে থাকে । এসব পদ্ধতিতে মৌলিক কোনো পার্থক্য নেই । প্রধানত ব্যবহৃত নমুনার পরিমাণে পার্থক্য থাকে এ কারণে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতিতে ও পার্থক্য থাকে ব্যবহৃত নমুনা পদার্থের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে সেমি মাইক্রো পদ্ধতিকে সেন্টিগ্রাম বিশ্লেষণ পদ্ধতি এবং মাইক্রো পদ্ধতিকে মিলিগ্রাম বিশ্লেষণ পদ্ধতিও বলা হয় ।
ক্ষারকীয় মূলকের শ্রেণীবিভাগ
- Get link
- X
- Other Apps
ধারাবাহিক পরীক্ষার জন্য ক্ষারীয় মূলককে ৫ টি গ্রুপে বিভক্ত করা হয় গ্রুফ ক্ষারীয় মূলক গ্রুফ বিকারক অধ : ক্ষেপ I ( সিলভার গ্রুপ ) Ag 2+ , Hg 2+ লঘু HCl PbCl 2 ( সাদা ) AgCl ( সাদা ) Hg 2 Cl 2 ( সাদা ) II A ( কপার গ্রুপ) Pb 2+ , Cu 2+ , Bi 2+ ,Cd 2+ লঘু HCl এর উপস্থিতিতে H 2 S Pbs ( কাল ) HgS ( কাল ) Bi 2 S 3 ( কাল ) CuS( কাল ) CdS( হলুদ ) IIB ( আর্সেনিক গ্রুপ) As 2+ ,Sb 2+ ,Sn 2+ , Sn 4+ লঘু HCl এর উপস্থিতিতে H 2 S As 2 S 3 ( হলুদ ) Sb 2 S 3 ( কমলা ) SnS ( বাদামী ) SnS 2 ( হলুদ ) III A ( আয়রন গ্রুপ) Al 3+ , Fe 2+ , Fe 3+ , Cr 3+ NH 4 Cl এর উপস্থিতিতে NH 4 OH Fe(OH) 3 ( বাদামী ) Al(OH) 3 ( সাদা চটচটে ) Cr(OH) 3 ( সবুজ ) IIIB ( জিংক গ্রুপ) Zn 2+ , Ni 2+ , Co 2+ ...
মাত্রিক বিশ্লেষণ বা পরিমাণগত
- Get link
- X
- Other Apps
যে বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক বিক্রিয়ার সাহায্যে কোন রাসায়নিক পদার্থের অথবা তাদের মূল উপাদান সমূহের আনুপাতিক পরিমাণ নির্ণয় করা হয় তাকে মাত্রিক বিশ্লেষণ বলে যেমন : টাইট্রেশন প্রক্রিয়ার সাহায্যে কোন দ্রবণে ধাতব আয়ন এর পরিমাণ নির্ণয় করা যায় আবার অধঃক্ষেপণ পদ্ধতির সাহায্যে ও কোন নমুনাতে অধঃক্ষেপ পরিমাপ করে ধাতুর পরিমাণ নির্ণয় করা যায়
গুণগত বা আঙ্গিক বিশ্লেষণ ,Qualitative analysis
- Get link
- X
- Other Apps
যে বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় কোন রাসায়নিক পদার্থের অথবা তাদের মিশ্রণের মূল উপাদান বা মূলক সমূহের উপস্থিতি রাসায়নিক বিক্রিয়ার সাহায্যে বিশেষ বর্ণযুক্ত যৌগের দ্রবণ অথবা অধঃক্ষেপ সৃষ্টির মাধ্যমে সনাক্ত করা সম্ভব হয় তাকে আঙ্গিক বিশ্লেষণ বলা হয় । যেমন : লবণের ধারাবাহিক বিশ্লেষণ ও নমুনার কার্যকরী মূলক সনাক্তকরণ এই পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত
বিকারক :
- Get link
- X
- Other Apps
বিকারক কোন জ্ঞাত বস্তুর গুড়া বা দ্রবণের সাথে অপর কোন অজ্ঞাত বস্তুর রাসা য় নিক বিক্রি য়া ঘ টিয়ে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ বর্ণযুক্ত যৌগের দ্রবণ বা অধঃক্ষেপ বা গ্যাস সৃষ্টির মাধ্যমে অজ্ঞাত বস্তু বা তাদের উপাদানসমূহকে শনাক্ত করা সম্ভব হ য় তখন ঐ সকল জ্ঞাত বস্তুকে সংশ্লিষ্ট যৌগ বা তার উপাদান শনাক্তকরণের বিকারক বলা হ য় ।
গ্রুপ বিকারক
- Get link
- X
- Other Apps
যেসব বিকারক দ্বারা কোন গ্রুপের আয়ন সমূহকে একত্রে অধঃক্ষিপ্ত করা হয় তাদেরকে সে গ্রুপের গ্রুপ বিকারক বলা হয় প্রযোজ্য ক্ষেত্রে গ্রুপ বিকারক গুলির নাম I ( সিলভার গ্রুপ ) লঘু HCl II A (কপার গ্রুপ) লঘু HCl এবং তারপর অতিরিক্ত H 2 S গ্যাস অথবা দ্রবণ IIB ( আর্সেনিক গ্রুপ) লঘু HCl এবং তারপর অতিরিক্ত H 2 S গ্যাস অথবা দ্রবণ III A (আয়রন গ্রুপ) NH 4 Cl ( অতিরিক্ত পরিমাণ যাতে দ্রবণ সম্পৃক্ত হয় ) + NH 4 OH অতিরিক্ত দ্রবণ IIIB ( জিংক গ্রুপ) NH 4 Cl অতিরিক্ত যাতে দ্রবণ সম্পৃক্ত হয় + NH 4 OH অতিরিক্ত দ্রবণ + H 2 S গ্যাস অথবা দ্রবণ IV (ক্যালসিয়াম গ্রুপ) NH 4 Cl (সম্পৃক্ত দ্রবণ ) + NH 4 OH দ্রবণ + (NH 4 ) 2 CO 3 দ্রবণ