কোভ্যালেন্ট

🌐 কোভ্যালেন্ট (Covalent) নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা


🔹 কোভ্যালেন্ট কী?

  • কোভ্যালেন্ট যৌগ হলো এমন যৌগ যেখানে দুটি বা ততোধিক পরমাণু ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে (Sharing of electrons) বন্ধন গঠন করে।
  • এই ধরনের বন্ধনকে বলে কোভ্যালেন্ট বন্ধন (Covalent bond)
  • সাধারণত অধাতু + অধাতু অথবা অধাতু + হাইড্রোজেন এর মধ্যে কোভ্যালেন্ট বন্ধন হয়।

🔹 কোভ্যালেন্ট বন্ধনের বৈশিষ্ট্য

  1. ইলেকট্রন ভাগাভাগি হয় (Transfer নয়, যেমন আয়নিক যৌগে হয়)।
  2. গঠিত অণুগুলো সাধারণত ছোট ও নিরপেক্ষ
  3. গলনাঙ্ক ও স্ফুটাঙ্ক সাধারণত কম (NaCl এর মতো বেশি নয়)।
  4. পানি-দ্রবণীয়তা কম, কিন্তু জৈব দ্রাবকে (benzene, ether) দ্রবীভূত হয়।
  5. বিদ্যুৎ পরিবাহী নয় (কারণ আয়ন থাকে না)।

🔹 কোভ্যালেন্ট যৌগের প্রকারভেদ

  1. একক কোভ্যালেন্ট বন্ধন (Single bond):

    • একটি ইলেকট্রন যুগল ভাগাভাগি হয়।
    • উদাহরণ: H₂, Cl₂, HCl, CH₄
  2. দ্বৈত কোভ্যালেন্ট বন্ধন (Double bond):

    • দুটি ইলেকট্রন যুগল ভাগাভাগি হয়।
    • উদাহরণ: O₂, CO₂, C₂H₄
  3. ত্রৈত কোভ্যালেন্ট বন্ধন (Triple bond):

    • তিনটি ইলেকট্রন যুগল ভাগাভাগি হয়।
    • উদাহরণ: N₂, C₂H₂

🔹 কোভ্যালেন্ট যৌগের উদাহরণ

  • H₂O → পানি
  • CO₂ → কার্বন ডাইঅক্সাইড
  • NH₃ → অ্যামোনিয়া
  • CH₄ → মিথেন
  • Cl₂ → ক্লোরিন

🔹 কোভ্যালেন্ট যৌগের ব্যবহার

  • পানি (H₂O) → জীবনের জন্য অপরিহার্য।
  • মিথেন (CH₄) → জ্বালানি।
  • অ্যামোনিয়া (NH₃) → সার শিল্পে।
  • কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) → পানীয়তে, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে।


Comments

Popular Posts

সেমি মোলার দ্রবন

মুদ্রা ধাতু

পর্যায় সারণীর বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Modern Periodic Table)