কোভ্যালেন্ট
🌐 কোভ্যালেন্ট (Covalent) নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
🔹 কোভ্যালেন্ট কী?
- কোভ্যালেন্ট যৌগ হলো এমন যৌগ যেখানে দুটি বা ততোধিক পরমাণু ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে (Sharing of electrons) বন্ধন গঠন করে।
- এই ধরনের বন্ধনকে বলে কোভ্যালেন্ট বন্ধন (Covalent bond)।
- সাধারণত অধাতু + অধাতু অথবা অধাতু + হাইড্রোজেন এর মধ্যে কোভ্যালেন্ট বন্ধন হয়।
🔹 কোভ্যালেন্ট বন্ধনের বৈশিষ্ট্য
- ইলেকট্রন ভাগাভাগি হয় (Transfer নয়, যেমন আয়নিক যৌগে হয়)।
- গঠিত অণুগুলো সাধারণত ছোট ও নিরপেক্ষ।
- গলনাঙ্ক ও স্ফুটাঙ্ক সাধারণত কম (NaCl এর মতো বেশি নয়)।
- পানি-দ্রবণীয়তা কম, কিন্তু জৈব দ্রাবকে (benzene, ether) দ্রবীভূত হয়।
- বিদ্যুৎ পরিবাহী নয় (কারণ আয়ন থাকে না)।
🔹 কোভ্যালেন্ট যৌগের প্রকারভেদ
-
একক কোভ্যালেন্ট বন্ধন (Single bond):
- একটি ইলেকট্রন যুগল ভাগাভাগি হয়।
- উদাহরণ: H₂, Cl₂, HCl, CH₄
-
দ্বৈত কোভ্যালেন্ট বন্ধন (Double bond):
- দুটি ইলেকট্রন যুগল ভাগাভাগি হয়।
- উদাহরণ: O₂, CO₂, C₂H₄
-
ত্রৈত কোভ্যালেন্ট বন্ধন (Triple bond):
- তিনটি ইলেকট্রন যুগল ভাগাভাগি হয়।
- উদাহরণ: N₂, C₂H₂
🔹 কোভ্যালেন্ট যৌগের উদাহরণ
- H₂O → পানি
- CO₂ → কার্বন ডাইঅক্সাইড
- NH₃ → অ্যামোনিয়া
- CH₄ → মিথেন
- Cl₂ → ক্লোরিন
🔹 কোভ্যালেন্ট যৌগের ব্যবহার
- পানি (H₂O) → জীবনের জন্য অপরিহার্য।
- মিথেন (CH₄) → জ্বালানি।
- অ্যামোনিয়া (NH₃) → সার শিল্পে।
- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) → পানীয়তে, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে।
Comments